ঢাকা বুধবার , ৮ এপ্রিল ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বর্মন পরিবারের সম্পত্তি দখলের অভিযোগে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

vorer angikar
এপ্রিল ৮, ২০২৬ ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বরিশাল অফিস: বরিশাল নগরীর বর্মন রোড এলাকার ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ির সম্পত্তি দখলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বর্মন পরিবারের উত্তরসূরি সুব্রত প্রসাদ বর্মন (মিঠু)।

বুধবার (৯ এপ্রিল) সকালে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সুব্রত প্রসাদ বর্মন দাবি করেন, তার পূর্বপুরুষ জমিদার বিজয় প্রসাদ বর্মন বেনিসিংহের হাবেলী এলাকায় বিপুল পরিমাণ জমির মালিক ছিলেন। তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে তিন পুত্র দেবপ্রসাদ বর্মন (শান্তি), অনিল প্রসাদ বর্মন (বরুন) ও সুনীল প্রসাদ বর্মন (খোকন) সম্পত্তির মালিকানা লাভ করেন।

তিনি জানান, ১৯৫৮ সালের ১১ অক্টোবর নিবন্ধিত একটি দলিলের মাধ্যমে এসএ ৬৯৫ খতিয়ানের আওতাধীন কিছু জমি মৌলভী আব্দুস সোবাহানের কাছে হস্তান্তর করা হলেও দলিলে মনসা মন্দির ও পারিবারিক সমাধিস্থলের নির্দিষ্ট অংশ উপাসনার জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, পরবর্তীতে ক্রমিক হস্তান্তরের মাধ্যমে ওই জমি স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির দখলে যায়। তিনি সংরক্ষিত মনসা মন্দির ও সমাধিস্থলের অংশ ভেঙে দখল করে নিয়েছেন।

সুব্রত প্রসাদ বর্মন আরও বলেন, “দুইশত বছরের পুরনো জাগ্রত মনসা মন্দির এবং পূর্বপুরুষদের সমাধি আমাদের জন্য সংরক্ষিত থাকলেও বর্তমানে তা দখল হয়ে গেছে। আমরা সেখানে যেতে পারছি না, পূজা-অর্চনাও করতে পারছি না।”

তিনি অভিযোগ করেন, এসএ ৬৯৫ খতিয়ানের ১২৫৮ দাগের ৭ শতাংশ জমি বিক্রি করা হয়নি এবং তা বর্তমানে বিএস ৫৪২৯ নং খতিয়ানে তাদের নামে চূড়ান্ত হলেও বাস্তবে তারা ভোগদখল করতে পারছেন না।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা বর্মন পরিবারের শেষ উত্তরসূরি হিসেবে মানবেতর জীবনযাপন করছি। অথচ আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে।”

তিনি বরিশালের সচেতন মহল, সাংবাদিক সমাজ, সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং জেলা প্রশাসকের কাছে দখলমুক্ত করে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সহযোগিতা কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তি বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়রের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা।

উল্লেখ্য, ঐতিহ্যবাহী বেনিসিংহের হাবেলী এলাকায় অবস্থিত বর্মন পরিবারের দোতলা প্রাচীরঘেরা বাড়িটি ইতোমধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।