নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশালের ঝালকাঠি রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি মো. ফেরদৌস রিপন (৩০)কে কুপিয়ে জখমের মামলা দায়েরের পাঁচদিন অতিবাহিত হলেও কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। গত ২৪ মার্চের ঘটনায় ৩০মার্চ বাদী হয়ে রিপনের মা ঝর্না বেগম (৫৫) বাদী হয়ে রাজাপুর থানায় মামলাটি (নং- ২৩) দায়ের করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং আরো অজ্ঞাতনামা ৫/৬জনকে আসামী করা হয়। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ১১মার্চ অটোরিক্সার ব্যাটারী এবং ১৭মার্চ বেকু মেশিনের ব্যাটারী চুরি হয়ে যায়। চোর শনাক্ত হওয়ায় তাঁদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা ফোরত দেবার কথা বলে। সেই চোরাই ব্যাটারী উদ্ধারে শুক্তাগড় ইউনিয়নের প্যানেল (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যানের নির্দেশে ২৪মার্চ সন্ধ্যায় ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি রিপনসহ আরো কয়েকজন সেখানে যায়। চোর চক্রটির পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রিপন সেখানে পৌছলেই মাহমুদ হাওলাদার, শহিদ খাঁন, রাজু, চয়ন হাওলাদার, লিলি বেগম, রুম্পা হাওলাদার ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা করে। এলোপাথারি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। আহত ছাত্রদল সভাপতি বর্তমানে ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিতসাধীন আছেন। বাদী ঝর্না বেগম জানান, আমার পুত্রকে পুর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। চিকিতসা সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা করতে বিলম্ব হলেও গত ৩০মার্চ রাজাপুর থানায় ৬জনের নাম উল্লেখ এবং আরো ৫/৬জন অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের ৫দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত পুলিশ একজন আসামীকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকা নিয়েও চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেন ছাত্রদল নেতার মা ও মামলার বাদী ঝর্না বেগম।
রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন,চেষ্ট অব্যাহত আছে খুব শিগগিরই আমরা আসামিদের গ্রেফতার করতে পারবো।
