শাওন ইসলামঃ আগামী বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হতে পারেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সদস্য ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও সিনিয়ার আইনজীবী শেখ আবদুল্লাহ নাসির এমনই গুঞ্জন উঠেছে দলের মধ্য থেকেই।শেখ আবদুল্লাহ নাসির ইসলামী আইনজীবী পরিষদ বরিশাল এর সভাপতি ও ইসলামী আইনজীবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পদে রয়েছে। শেখ আবদুল্লাহ নাসির দীর্ঘদিন যাবত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও বরিশাল আদালত পাড়ায় সততা ন্যায়পরায়নতার সাথে আইন পেশায় সুনামের সাথে পরিচালননা করিতেছেন। তিনি অসহায় মানুষকেও বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করে আসছেন। তিনি বরিশাল নগরীর বাজার রোড, সাগর গলি এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। এ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির এর পিতা ছিলেন সুশিক্ষিত সৎ, ন্যায়-পরায়ন পরোপকারী তৎকালীন উজিরপুর থানার সার্কেল অফিসার হিসেবে চাকরিতে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে সম্মানিত আইন পেশায় যুক্ত হন এবল ১৯ ৮৭ সালে ১৬ই জুলাই তার পিতার মৃত্যু হয়। এছাড়াও আইনজীবী শেখ আবদুল্লাহ নাসির বরিশাল নগরীর স্ব- রোডস্থ টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোটের মাধ্যমে হওয়া একমাত্র ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি ছিলেন তিনি একাধারে শিক্ষানুরাগী এবং ক্রীড়াঙ্গনেও ছিল তার নাম ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ ন্যাশনাল লীগের খেলোয়ার ছিলেন এই বিশিষ্ট আইনজীবী শেখ আবদুল্লাহ নাসির সদালাপী একজন সাদা মনের মানুষ।
শেখ আব্দুল্লাহ নাসির বলেন, আমাদের আমীর এবং সিনিয়র নায়েবে আমীর এর দোয়া নিয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দিতা করবো ইনশাআল্লাহ। নির্বাচনে সরকারকে বার্তা দিতে চাই যে, এই নির্বাচনে অন্যভাবে ক্ষমতা দখল করার চেষ্টা যদি করা হয়, তাহলে আমি স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, আপনার ক্ষমতার মসনদকে কাঁপাবার জন্য এটিই হবে প্রথম সূচনা। আল্লাহ যদি চায় আমি বরিশাল সিটির মেয়র নির্বাচিত হলে আমার দ্বারা বরিশালের আপামর জনসাধারণের কল্যান হবে ইনশাআল্লাহ। আমি জনগনের খাদেম হয়ে জনগনের ন্যায় সঙ্গত প্রয়োজন মেটাতে এবং সুখে-দুঃখে পাশে থাকবোইনশাআল্লাহ। আমি মেয়র হিসেবে মুলত জনগনের খাদেম হতে চাই’, আমি বরিশালের ” নগর বন্ধু” হতে চাই।
সম্ভাব্য আগামী ঈদুল আযহার পরই সরগরম হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাঠ। এর মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলো নিজস্ব প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দলের অনেকেই। সব মিলিয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলেই বিএনপি ও বাসদ,জামাতে ইসলামী,জাতীয় পার্টি ও এন সি পি প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেন।
