নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জাল সার্টিফিকেট ব্যবহার করে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে অফিস সহায়ক পদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে মো. সোহাগের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সোহাগ বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের মগড়পাড়া গ্রামের মো. আবদুল মহিন আকন ও রহিমা খাতুনের ছেলে।অনুসন্ধানে জানা গেছে, সোহাগ ২০০৪ সালে লাকুটিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৮ম শ্রেণি পাসের একটি সনদপত্র জমা দিয়ে সরকারি এই চাকরিতে যোগদান করেন। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বেতন-ভাতা ও যাবতীয় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছেন।তবে জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে লাকুটিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহর একটি প্রত্যয়নপত্রের মাধ্যমে। সুপার তার দাপ্তরিক প্রত্যয়নে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, মো. সোহাগ নামে কোনো ছাত্র কখনোই উক্ত মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করেনি। এমনকি মাদ্রাসার নথিপত্র বা রেজিস্টারেও তার ছাত্রত্বের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের এই বক্তব্যের পর সোহাগের দাখিলকৃত সনদের বৈধতা নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একজন ভুয়া সনদধারীর ১২ বছর ধরে সরকারি প্রতিষ্ঠানে বহাল তবিয়তে থাকা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
