নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল নগরীর কেডিসি বস্তি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক হাজার পুরিয়া গাঁজা, নগদ টাকা ও মাদক বিক্রির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ধাওয়া খেয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছে দুই চিহ্নিত মাদক কারবারি দম্পতিসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুজন।
গতকাল সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে বিএমপি বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বালুর মাঠ কেডিসি বস্তি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চিহ্নিত মাদক কারবারি মোঃ ছিদ্দিক ফকিরের (৫৬) বসতঘরে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানকালে পুলিশি উপস্থিতি টের পেয়ে ছিদ্দিক ফকির ও তার স্ত্রী মোসাঃ জ্যোৎস্না বেগম (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২ ব্যক্তি একটি সাদা চটের বস্তা নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ পিছু ধাওয়া করলে তারা বরিশাল শিল্পকলা একাডেমির বাউন্ডারির ভেতরের দক্ষিণ পাশের খালি জায়গায় বস্তাটি ফেলে রাতের আঁধারে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ফেলে যাওয়া চটের বস্তা থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ১০টি পোটলা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটিতে ১০০টি করে মোট ১,০০০ (এক হাজার) পুরিয়া এবং আলাদা রক্ষিত ২০০ গ্রামসহ সর্বমোট ৫ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করে পুলিশ।
এরপর পলাতক আসামিদের বসতঘর তল্লাশি করে পুরিয়া তৈরির কাজে ব্যবহৃত আড়াই কেজি পুরাতন প্রিন্টেড কাগজ, ৭০০ গ্রাম স্বচ্ছ পলিথিন, একটি ‘LG Smart’ লেখা ডিজিটাল নিক্তি (স্কেল), ৪টি স্টাপলার মেশিন, দুই বক্স স্টাপলারের পিন এবং মাদক বিক্রির নগদ ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার) টাকা জব্দ করা হয়।
পলাতক আসামিরা হলেন— কেডিসি বস্তির মৃত ইনতাজ উদ্দিন ফকিরের ছেলে মোঃ ছিদ্দিক ফকির (৫৬) ও তার স্ত্রী মোসাঃ জ্যোৎস্না বেগম (৪০)।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
