বরিশালের উজিরপুর উপজেলার পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের পৈত্রিক সম্পত্তি জমি ও পুকুর অন্যায় এবং অবৈধভাবে জবরদখল করার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে প্রতিপক্ষরা। সংখ্যালঘু পরিবারের পুকুরে প্রতিপক্ষ কর্তৃক লোক দিয়া পরিষ্কার এবং দখলের চেষ্টা করিলে ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধ কে খুন যখন করার হুমকি দেয়। কথা কাটাকাটি এবং ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে প্রতিপক্ষ লোকজন হুমকি দিয়ে চলে যায় এ ঘটনায় উজিরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ অভিযোগ আমলে নিয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে এবং তদন্ত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গত বুধবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার উজিরপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে উজিরপুর উপজেলার উজিরপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডস্থ নারায়ণ চন্দ্র দাস এর ছেলে অমল চন্দ্র দাস ( ৬০) তার পৈতৃক ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ওয়ারিশদের ২৯ শতাংশ সম্পত্তি পুকুরে জমি বিগত ১৯৫৯ সাল থেকে ভোগ দখল করিতেছে। প্রতিপক্ষ প্রতিষ্ঠাতা বি, এন, খান ডিগ্রি কলেজের
১/মোহাম্মদ আজিজ খান (৬৫)
২/মোঃ হাবিব খান (৬০) ৩/ অধ্যক্ষ বি এন, খান ডিগ্রি কলেজ গভার্নিং বোর্ডের সদস্য মো: রফিকুল ইসলাম (৫৫)
৪/গভার্নিং বোর্ডের সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আমির হোসেন মিয়া (৬৫)
৫/ গভর্নিং বডির সভাপতি মোহাম্মদ নয়ন মিয়া (৫০)
সহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন উপরোক্ত ব্যক্তিদের নেতৃত্ব ও সহযোগিতায় দীর্ঘদিন যাবত উক্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি জবরদখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে ইতিপূর্বে বিগত ২৩/১০/ ২০২৪ সালে উজিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এছাড়াও উক্ত সম্পত্তি যাতে দখল করতে না পারে সেজন্য মোকাম বরিশাল সিভিল সহকারী জজ আদালতে উক্ত সংখ্যালঘু পরিবার একটি মামলা করেছে। যার মামলা নম্বর ১৪/২০২০, তাছাড়া উক্ত ভুমি নিয়া উক্ত সংখ্যালঘু পরিবারটি মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন মামলা করেন যার মামলা নম্বর ৪৮ ৯২/২৬ বর্তমানে তার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মহামান্য হাইকোর্টের রায় ও আদেশ অনুযায়ী উক্ত ভূমি নিয়ে বরিশাল জেনাল সেটেলমেন্ট অফিসে মিস কেস নং – ১৯ ৪৭/ ২০২৬ যার শুনানের দিন আগামী ১১/১১/২০২৬ ধার্য রয়েছে এ বিষয়ে উক্ত সংখ্যালঘু পরিবার এর স্বপক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তি হওয়ার কারণে প্রতিপক্ষ কর্তৃক পুনরায় তদন্ত দাবি জানান এ বিষয়ে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের সার্ভেয়ার কর্তৃক সরোজমিনে তদন্ত আসবেন বিদায় উক্ত ভূমিদস্যুদের নেতৃত্বে লোক দিয়ে পুকুর সম্পত্তি পরিষ্কার ও জবর দখল করার চেষ্টা চালাইতেছে। তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি নিয়ে সংখ্যালঘু পরিবার ১৫০ নং আপত্তি মোকদ্দমার মাধ্যমে ২০১৫ সালে সরকার বাহাদুর কে বিবাদী করে এবং রায় পায় সে মোতাবেক ১৩৫৫ নং খতিয়ান সৃষ্টি হয় কিন্তু প্রতিপক্ষ উজিরপুর ভূমি অফিসে কর্মরত অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে যোগ-সাদশে ২০২৪ সালে চূড়ান্ত যাঞ্চ স্তর চলাকালীন। অগোচরে খতিয়ান কেটে সম্পূর্ণ জায়গা তাদের নিজের নামে হাসিল করে রাখে। এ বিষয়ে উক্ত সংখ্যালঘু পরিবার ও তার ওয়ারিশরা মহামান্য হাইকোর্টে তঞ্চকতার জন্য রিট পিটিশন দায়ের করে ।
তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি হল উজিরপুর উপজেলার জেল নং ৯২, উজিরপুর মৌজার আর এস খতিয়ান নং ২২১ ও ২২৩ এবং এস এ খতিয়ান নং ৭৮৮ ও ৭৮৯ ডিপি খতিয়ান নং ১৩৫৫ হালদাগ নং ১৯৬৩ জমির পরিমাণ ২৯ শতাংশ।
উল্লেখিত সংখ্যালঘু পরিবারদের ওয়ারিশদের নাম হল ১/সুমন দাস (৫০) ২/সুজন দাস (৩০) পিতা-মৃত গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস ৩/সঞ্জয় চন্দ্র দাস (৪১) ৪/ সঞ্জীবচন্দ্র দাস(৩৮) ৫/ বিপ্লব চন্দ্র দাস (৩৪) পিতা মৃত সুশীল চন্দ্র দাস ৬/ অমল চন্দ্র দাস(৬০) পিতা মৃত নারায়ণ চন্দ্র দাস, স্বপন চন্দ্র দাস (৫২) ৭/ তপন চন্দ্র দাস (৪৯) ৮/ রিপন চন্দ্র দাস (৪৭) ৯/প্লাবন চন্দ্র দাস (৪৫) পিতা মৃত শান্তিরঞ্জন দাস। সকলেই উজিরপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
