নিউজ ডেস্ক:বরিশালে বিচারিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার ১৬ জুন বিকাল সাড়ে ৩ টায় বরিশাল চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
কনফারেন্সে বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন দশটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ ও অন্যান্য সরকারি দপ্তরের মধ্যে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি দূর করার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেন।
কনফারেন্সে বরিশালের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদুল আজাদ যথা সময়ে আদালতে সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং মেডিকেল সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন সময়মতো জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেন।এছাড়াও মামলার জট নিরসনে দ্রুততম সময়ে মামলার বিচারকাজ শেষ করা এবং বিচারাধীন মামলাগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে বিচার বিভাগ, পুলিশ, র্যাব, সিভিল সার্জন অফিস এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।তিনি আরো বলেন ন্যায় বিচার প্রচেষ্টা করতে হবে। যথা সময় আদালতে সাক্ষীদের হাজির করতে হবে। গ্রেফতারি পরোয়ানা ঠিকমত তামিল হচ্ছে না এ ব্যাপারে গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল করবার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। ভালোভাবে কাজ করতে হবে বিচারব্যবস্থাকে মডেল হিসেবে গণ্য করা হবে। কাজের মাধ্যমে মানুষকে সেবা দিতে হবে। ন্যায় বিচার প্রচেষ্টা করতে হবে। ৬০ দিনের মধ্যে তদন্তর রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়। নারী ও শিশু মামলা ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল আজাদ আরো বলেন গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল করতে না পারলে সময় মাত্র আদালতে জানাতে হবে। আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সাক্ষীদের আদালতে আসা-যাওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার নির্দেশ দেন। মামলাগুলো দুটো নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত চলাকালীন বিদ্যুৎ সরকার নিশ্চিত করবার জন্য বলা হয়। আদালত অঙ্গন বিচারক ও আদালতের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য বলা হয়। মালখানা থেকে সময়মতো আলামত হাজির করনের জন্য বলা হয়।
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদুল আজাদ এর সভাপতিত্বে কনফারেন্সে আরো উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিদ্যুৎ আদালতের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) এস এম মাহফুজ আলম,অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাহিদ হোসেন,সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফজলুর রহমান,সিভিল জজ বাকেরগঞ্জ সাব্বির মোঃ খালিদ,সিভিল জজ বরিশাল সদর আরিফা আফরিন আঁখি,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সিহাবুর রহমান,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফসানা শারমিন ইভা,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়শা আক্তার,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ আবিদুল হক,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল সায়েম, আবুল কালাম আজাদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি,বরিশাল জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আলাউল হাসান,সিভিল সার্জন ডা: এস, এম, মঞ্জুর-এ-এলাহী,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক(প্রশাসন)ডাঃমোঃমাহামুদ হাসান, ডা:অনীক নিলয়, লেকচারর শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ, সুব্রত কুমার বালা, সিনিয়র জেল সুপার, তানভীর হোসেন খান, উপ-পরিচালক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ভবানী শংকর বল, প্রবেশন কর্মকর্তা, প্রবেশন কার্যালয়, বরিশাল, ইয়াসিন আরাফাত, পরিদর্শক বিএসটিআই বরিশাল, আবু সালেহ মোঃ আনসার উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,সাথেবরিশাল জেলার সকল থানার ওসি, র্যাব-৮ এর প্রতিনিধি সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ।
কনফারেন্সের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন,চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মোঃ তারিকুল ইসলাম।
