বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্যকর্মকর্তা ডাঃখন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম শুভ্রর বিরুদ্ধে একেরপর এক অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। নিজের নামে সাথে বিগত স্বৈরাচার আমলে ছাত্রলীগ ট্যাগ ও বিসিসির তৃতীয় শ্রেনীর এককর্মচারীর সাথে অবৈধ সম্পর্কের গুনজন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে ডাক্তার শুভ্রকে নিয়ে কানাঘুঁষা ও সমালোচনা শোনা যাচ্ছে।একটি তথ্য সূত্রে জানা যায়, বিগত স্বৈরাচার আমলে সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সুপারিশে স্বাস্থ্যকর্মকর্তা ডাঃখন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম শুভ্র ২০১৯ সালে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে যোগদান করেন। সাদিক আবদুল্লাহর একক ও তাকে তেলমোদন করে নিজেকে করেছেন বঙ্গবন্ধু ক্লাবের পরিচালনা কমিটির সদস্য। যা ডাঃ শুভ্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে প্রচার করেন। তাছাড়া তিনি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবাষির্কীতে নানা রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়ার ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হয়েছে।অভিযোগ রয়েছে সিটি করপোরেশনে স্বাস্থ্য শাখার তৃতীয় শ্রেনীর এক কর্মচারীর সাথে বিভিন্ন সময় তার রুমে ও তার ব্যক্তিগত চেম্বারে সময় কাটাতেন। যে বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে বিসিসিতে ডাঃ শুভ্রর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সিটি করপোরেশনের এক কর্মচারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, (ছদ্মনাম) মিতার ১ সন্তান রয়েছে। মিতার স্বামী মারা যাওয়ার পর মিতা আরেকটি ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে ওই প্রেমিক জানতে পারে, গোপনে ডাঃ শুভ্রর সাথে ওই মিতার একটি অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। প্রতিমাসে বিভিন্ন সময় মিতা ছুটি চাইলে ডাক্তার শুভ্র সাথে সাথে ছুটি দেন। তাকে নিয়ে ঘুরতে যান। এছাড়াও ডাক্তার শুভ্র তার কাছে একজন ভগবান। মাঝে মাঝে মিতা ডাক্তার শুভ্রর রুমেও ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটাতেন। যে বিষয়টি মুহুর্তে মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে মুখে মুখে । তিনি আরো বলেন, নগরীর বেলভিউতে তার নিজ চেম্বারে ওই মিতার রুমে সময় কাটানোর গুনজন উঠেছে। ডাঃ শুভ্রর সুন্দর চেহারা আড়ালে নারী লোভী একটি চরিত্র বহন করে বেড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেন। জানা যায়, এর পূর্বেও ডাঃ শুভ্রর বিরুদ্ধে নারীসহ নানা অবৈধ কার্যক্লাপের অভিযোগ উঠেছিলো। তবে তৎকালীন মেয়রের সাদিকের লোক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ ছিলো কর্মচারীরা। এদিকে একটি ছবিতে দেখা যায়, মেয়রকে খুশি করতে তিনি সাদিক আবদুল্লাহকে উপদেষ্টা করে শেরে- ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু ক্লাবের পরিচালনা কমিটির সদস্য হয়। অপরদিকে একজন ছাত্রলীগের নেতাকে ৮ বছর যাবৎ সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব দিয়ে রাখা হয়েছে। এবিষয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, আওয়ামী লীগের দোষর এখনো সিটি করপোরেশন বহাল রয়েছে। প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার পরও সরকার পতনের পর সিটি করপোরেশন বহাল রয়েছে ডাঃ খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম শুভ্র। এবিষয় ডাঃ খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম শুভ্রকে ফোন দেওয়া হলে রিসিভ করেনি।
