বিসিসি থেকে ম্যানেজ করে কাউনিয়া অবৈধ হাট-বাজার বসানোর অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিটি কর্পোরেশন অনুমতি ছাড়া বরিশাল ৩নং ওয়ার্ড কাউনিয়া আরজু মনি স্কুলের পাশে তাবু টানিয়ে অবৈধ হাট বসানোর অভিযোগ উঠেছে নয়ন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সরে জমিনে তথ্যসূত্রে জানা যায় সিটি কর্পোরেশন জায়গা দখল করে নয়ন নামে ওই ব্যক্তি বিএনপি’র নাম ভাঙ্গিয়ে জোর করে তাবু টানিয়ে হাট বসিয়েছে। নয়ন সম্বন্ধে জানা যায় ওই বাজারের বর্তমান সভাপতি পদে রয়েছেন তিনি। তারই সূত্র ধরে নিজের স্বার্থসিদ্ধি হাসিল করার জন্য কয়েকজন মাদক সেবীকে সাথে নিয়ে হাট বসিয়েছেন। ওই হাটে থেকে প্রতিদিন সকালবেলা কাঁচা বাজার ও মাছ মাংস বিক্রি করা হয় এবং সেখান থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করেন নয়নগং।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেছেন যারা রাস্তার উপরে ভ্যানে সবজি মাছ মাংস বিক্রি করতেন তাদেরকে জোর করে ওই হাটে বসিয়েছেন এই নয়ন। কয়েকজন কাঁচা সবজি বিক্রেতা বলেছেন আমরা যখন রাস্তার উপরে বসে মালামাল বিক্রি করতাম তখন কাউকে কোন টাকা পয়সা দিতে হতো না কিন্তু এখন নয়ন ভাই জোর করে বাজারে বসিয়ে আমাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন। সন্ধ্যার পরে ওই বাজারে নয়ন গংদের কয়েকজন নেশাদ্রাব্য সেবন করে থাকেন এমনটাও বলেছে স্থানীয় অনেকে। নয়নের সাথে মুঠোফোন আলাপ করলে নিজেকে বিএনপি’র বড় এক লিডার দাবি করেন। বাজার সম্বন্ধে জানতে চাইলে তিনি এক লিডারের নাম বলেন আরো বলেন সমস্ত কাগজপতি রয়েছে আমার। কাগজ সম্বন্ধে জানতে চাইলে তিনি কোন কিছুই দেখাতে পারে নাই। পরবর্তীতে সেই বিএনপি লিডারের সাথে মুটো ফোনে আলাপ হলে তিনি বাজার সম্বন্ধে কিছুই জানেন না বলে জানান। নয়ন বলেন আমি এই লিটারের রাজনীতি করি এবং তিনি বাজার বসাইতে বলেছেন কাগজপাতি তার কাছে রয়েছে। এব্যাপারে বিএনপির সিনিয়ার ঊর্ধ্বতন নেতাদের সাথে আলাপ করলে তারা বলেন আমরা বাজার সম্বন্ধে কোন কিছুই জানিনা। অনেকে নয়ন কে চেনেও না। বলেন আমাদের অনেক কর্মী সমার্থক রয়েছে তবে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে যদি কেউ অনৈতিক কার্যকলাপ করে তাহলে এর দায়ভার তাকেই নিতে হবে। দল এর কোন দায়ভার নিবে না। আরো বলেন নয়ন যদি আমাদের বিএনপির কর্মী হয়ে থাকে এবং এই সমস্ত কাজ করে বেড়ান তাহলে বিএনপি’র মানক্ষুন্ন হবে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই আমাদের কোন দলের বদনাম হবে এমন কর্মী সমার্থক প্রয়োজন নেই। আপনাদের কাছে সঠিক তথ্য থাকলে নিউজ করেন আমরা আপনাদের সাথে আছি। অসৎ লোকের কোন ঠাই বিএনপি দলে নেই,ভবিষ্যতে থাকবেও না। ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য সচিব ও সেক্রেটারির সাথে আলাপ করলে তারা এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে জানান। তারা বলেন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে যদি কোন একটা সাধারণ কর্মী ও হাটবাজার বা চাঁদা তোলেন তা আমাদের দলের জন্য শুভ করনয় বরং দলের বদনাম। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের হাট-বাজার শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তার সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন আমরা কোন হাট বাজারের অনুমতি দেইনি। এমনকি আমাদের কাছে কেউ দরখাস্তও করেনি। আমরা লোকমুখে কিছুদিন আগে শুনে লোক পাঠিয়ে তাদের বাজার বন্ধ করতে বলে আসছি কিন্তু নয়ন দলের প্রভাব খাটিয়ে জোর করে বাজার বসিয়েছেন।নয়ন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ধরাকে সরা জ্ঞান মনে করে জোর করে হাট বসিয়েছেন। আপনারা আইনি কোন পদক্ষেপ নিবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তা বলেছেন অবশ্যই আমরা নিয়ম অনুসারে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।
