বরিশাল বিএনপির একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামির বিদেশযাত্রা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, দলের শীর্ষ নেতাদের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং বরিশাল মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি খান হাবিব কীভাবে হঠাৎ করে পরিবারসহ দেশ ত্যাগ করতে সক্ষম হলেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন।তবে তিনি ফেইচবুকে লিখেন আজকে ওমরাহ প্রথম জুম্মা মোবারক আমি আমার স্ত্রী ছোট দুই বোন ও আমার চাচী আমাদের জন্য দোয়া করবেন,, আমিন
“এজাহারভুক্ত আসামি দেশ ছাড়ে—আইন কোথায়?”মহানগর বিএনপির এক শীর্ষ নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“যে ব্যক্তি বিএনপি অফিস পোড়ানো মামলার আসামি, নেতাদের হত্যাচেষ্টার এজাহারে নাম আছে—সে কীভাবে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বিমানবন্দরে ঢুকে বিদেশে চলে যায়? এটা কি আইনের দুর্বলতা নাকি এর পেছনে অন্য কিছু আছে?”
আরও এক নেতা অভিযোগ করেন,“আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটা অংশ টাকা খেয়ে তাকে বের করে দিয়েছে—এমন কথা কর্মীদের মুখে মুখে। কীভাবে ভিসা, ইমিগ্রেশন, ক্লিয়ারেন্স সব পাস হলো—তার উত্তর কে দেবে?”
বরিশাল মেট্রোপলিটন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে খান হাবিব একাধিক মামলার আসামী হওয়া স্বত্তেও কিভাবে বিদেশ গেলেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,গাড়ি করে পরে প্লেনে চরে বিদেশ গেলেন,আমাদের কাছে যাদের নাম আছে তাদের নামে এমিগ্রেশনে নাম দেওয়া আছে।“এজাহারে নাম থাকলেই যে কেউ দেশ ত্যাগ করতে পারবে না—এমন কোনো আইন নেই। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।”
তবে বিএনপি নেতাদের দাবি, পুলিশের এই মন্তব্যে জনগণের বিভ্রান্তি আরও বাড়ছে।তাদের ভাষায়,“এমন বক্তব্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায় এড়াতে চাইছে। আসলে বিষয়টি খুবই সন্দেহজনক।”
বড় প্রশ্ন তদন্তের ,রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও প্রশ্ন তুলছেন—এতগুলো মামলার আসামির বিরুদ্ধে কি স্টপ—লিস্ট ছিল না?যদি না থাকে—তাহলে কেন রাখা হয়নি?যদি থাকে—তাহলে কে সেটা মুছে দিল?
এক স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক বলেন,“স্টপ লিস্ট না থাকা বা শিথিল হওয়ার ঘটনা সাধারণত শক্ত প্রভাব বা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমেই হয়। ঘটনাটি তদন্তের দাবি রাখে।”
খান হাবিবের পুরো পরিবার নিয়ে বিদেশ পাড়ি দেওয়ার খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ দেখা যায়। অনেকেই লিখেছেন—“মামলার আসামি দেশ ছাড়ে, আর সাধারণ মানুষ পুলিশের ভয়ে নিজের বাড়ি থেকে বের হতে পারে না—এটাই দেশের বাস্তবতা।”
বরিশালে বিএনপির দ্বায়ের করা একাধিক মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বরিশাল মৎস্যজিবী লীগ নেতা খান হাবিবের বিদেশ যাত্রার বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল সিটিএসবির কর্মকর্তা বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই আমার মামলার কাগজ দেখে বলতে হবে। তবে একাধিক মামলার এজাহারভূক্ত আসামী বিদেশ গমন করতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন আদালত থেকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি নিয়ে সে যেতে পারে।
ঘটনার তদন্ত দাবি করে বিএনপি নেতারা বলছেন,“এটা শুধু একজন আসামির বিদেশযাত্রা নয়—এটা আইন—শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার বিরুদ্ধে গুরুতর প্রশ্ন বলে জানান বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও বিএনপির অফিস পোড়া মামলার বাদী মনিরুজ্জামান খান ফারুক,তিনি আরো বলেন এই বিষয়ে আমরা কি করে বলব একজন এজাহারভূক্ত একাধিক আসামী কিভাবে বিদেশ যাত্রা করেন আপনারা পুলিশ কে জিজ্ঞাসা করেন।তিনি ক্ষোভ নিয়ে বলেন এটা অন্যায় আমি ঢাকায় আছি বরিশাল এসে আমি পুলিশ-কে ফোর্স করব!
বরিশালে বিএনপির দ্বায়ের করা একাধিক মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বরিশাল মৎস্যজিবী লীগ নেতা খান হাবিবের বিদেশ যাত্রার বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার কর্মকর্তা (ওসি) মোঃমিজানুর রহমান বলেন তিনি গাড়ি ঢাকায় তারপর প্লেনে করে বিদেশ গেছেন।আমরা কি করে বলব সে কিভাবে বিদেশ গেছে,আমাদের কাছে যারা আসামী তাদের লিস্ট আছে তাদের তালিকা এয়ারপোর্ট পুলিশ কে দেওয়া আছে।
বরিশালে বিএনপির দ্বায়ের করা একাধিক মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বরিশাল মৎস্যজিবী লীগ নেতা খান হাবিবের বিদেশ যাত্রার বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম ব্যবস্তার কথা বলে অফিস সময়ে কথা বলতে বলেন।
