নিজস্ব প্রতিবেদঃ বরিশাল নগরী প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ টাকার ঝাটকা ইলিশ বিভিন্ন জেলায় পাচার হলেও সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ বরিশাল জেলায় দায়িত্ব থাকা মৎস কর্মকর্তারা।প্রতিমাসেই সরকারি বেতন তুললেও দপ্তরের কাজের বেলায় অষ্ট ডঙ্গা। প্রতিবছরই ইলিশের ঝাটকা রক্ষায় সরকারের বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণায় কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়ে থাকে। কিন্তু অসাধু বেশ কিছু কর্মকর্তাদের জন্য জাটকা ইলিশের নিধন বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে মনে করেছেন অনেকেই । এছাড়াও বরিশাল জেলা মৎস্যকর্মকর্তা(DFO)উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা,সঠিকভাবে কেহ’ই করেন না মৎস্য অভিযান। অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট যেখানে সমানে করছে অভিযান এবং প্রতিটা অভিযানে সফল হচ্ছেন তারা। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই,সেনাবাহিনী,কোস্ট গার্ড,পুলিল,সবাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করছেন এবং সফল ও হচ্ছেন। কিন্তু অদৃশ্য কারণে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা করছেন না কোন অভিযান। প্রতিদিন রাতে এবং দিনে সদর উপজেলা ও মৎস অধিদপ্তরের সামনে থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার অবৈধ ঝাটকা ইলিশ মাছ ট্রাক ও বাসে করে যাচ্ছে ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলায়। এ ব্যাপারে মৎস্য কর্মকর্তা(DFO) উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কেহই সঠিক তথ্য দেওয়ার পরেও করেন না অভিযান। এমনকি অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট যখন অবৈধ ঝাটকা ইলিশ আটক করেন তখন তাদের খবর দিলেও আসেন না।জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (DFO)-এর মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি বলেন রাত্রে কেন ফোন দিয়েছেন ফোন দিবেন সকালে। মিডিয়াকর্মীদের বলেন আপনারা নিজেরা আটকান পরে আমরা আসবো।উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জামাল হোসেনকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। কেন কি অদৃশ্য কারনে মৎস্য কর্মকর্তারা নিশ্চুপ ? তাহলে কি সর্ষের ভিতর’ই ভূত..?
অনুসন্ধান চলমান >>..
বিস্তারিত দেখতে চোখ রাখুন…
