ঢাকা রবিবার , ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল ৫ আসন জামায়াত- ইসলামি আন্দোলন মতবিরোধ, ফুরফুরে সরোয়ার

vorer angikar
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬ ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : সব জল্পনা কল্পনা,হিসেব-নিকেশ পালটে দিয়েছে ইসলামি ইসলামি আন্দোলনের ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে একক নির্বাচন করার সিদ্ধ্বান্তের মধ্যে দিয়ে।আওয়ামী মুক্ত বাংলাদেশে বিএনপি জামায়াতের পরেই তৃতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে ইসলামি আন্দোলনকে মনে করা হয়। সেক্ষেত্রে, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি আন্দোলন এক হয়ে অন্য সমমনা দল নিয়ে নির্বাচন করার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া হয়েছিল। ৮ দলের সাথে এনসিপি যুক্ত হওয়ায় তরুন ভোটাররা এই জোটের দিকে ঝুকে পরবে এমন আশংকার মধ্যে গত শুক্রবার ইসলামি আন্দোলনের জোট থেকে বের হয়ে একক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করায় বরিশাল সদর আসনে বিএনপির কোন শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রইল না।বরিশাল সদর এবং সিটি করপোরেশন নিয়ে গঠিত এই আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৯৫০ জন।এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ৯৪৩ জন এবং মহিলা ভোটার রয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার জন। এছাড়াও তৃতীয় লিংগের ভোট রয়েছে ৭ জন। এই মর্যাদাপূর্ণ আসনে ইতিপূর্বে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চাইতে বিপুল ভোটে এগিয়ে ছিলেন সরোবর। এ কারনে তাকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য ইসলামি ঐক্যজোট থেকে প্রার্থী হিসেবে একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার ফলে বিএনপি শিবিরের কপালে যে চিন্তার ভাঁজ পরেছিলো, ইসলামি ঐক্যজোট ভেংগে যাওয়ায় এবং জামায়াত-চরমোনাই উভয় দল তাদের প্রার্থী বহাল রাখায় সরোয়ার শিবিরে বইছে আনন্দের বন্যা। কারন হিসেবে অভিজ্ঞ মহল বলছেন,সরোয়ারের বিপরীতে জামায়াত- চরমোনাইরের ভোট একত্র করলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবার সম্ভাবনা ছিলো। কিন্তু তাদের ঐক্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হওয়ার এবং সেই ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার ফলে এখন অনেকটা রিলাক্স মুডে রয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
সুত্র অনুযায়ী, চরমোনাইয়ের নায়েবে আমির মুফতি ফায়জুল করিম ২০০১ সালে লাংগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে মোট ভোটারের ১১.৩০ শতাংশ ভোট পেয়ে রয়েছিলেন ত্তৃতীয় স্থানে। এরপর ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছিলেন ১১.৬০ শতাংশ ভোট। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ২৭০৬২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছিলেন তিনি। সর্বশেষ, ২০২৩ সালের ১২ ‘ ই জুন বিসিসির মেয়র নির্বাচনে মুফতি ফায়জুল করিম ভোট পেয়েছিলেন ৩০৮২৮। বিপরীতে, ১৯৯১ সনের সংসদ উপ-নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল হাসানাত নুরুল্লাহ পেয়েছিলেন ৫৭০৪ ভোট। এরপর ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে এড..মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল পেয়েছিলেন ৪৬৬৭ ভোট। এরপর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সরাসরি কোন প্রার্থী দেয়নি জামায়াত। সেই হিসেবে একক ভাবে হাতপাখা কিংবা দাড়িপাল্লা নিয়ে ধানের শীষের শক্তিশালী প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করা যায় কিন্তু জেতার হিসাব অনেকটাই কঠিন বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তবে,মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে জোটের হিসাব মেলাতে

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।