ঢাকা রবিবার , ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সন্ত্রাসীরা আইনের মধ্যে না আসলে যৌথ বাহিনীর গুলি খেয়ে কবরে যেতে প্রস্তুত থাকুন ..ব্যারিস্টার ফুয়াদ

vorer angikar
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃবরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন,সন্ত্রাসীরা আইনের আওতায় না আসলে পুলিশের বা যৌথ বাহিনীর গুলি খেয়ে কবরে যেতে প্রস্তুত থাকুন“ সন্ত্রাসী কালো টাকা ও অস্ত্রের প্রতিযোগিতায় আমরা পিছিয়ে আছি। এছাড়া সবদিক থেকে আমরা এগিয়ে আছি। তবুও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই থেকে সরে আসিনি।”
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনী এলাকা বাবুগঞ্জ উপজেলার কলেজ গেট থেকে গনমিছিলের পূর্বে (ঈগল পাখি) প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার ফুয়াদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ২০১৪ সালে একতরফা, ২০১৮ সালে ডামি এবং ২০২৪ সালে রাতের নির্বাচন হয়েছে। এর ফলে ভোটকে কেন্দ্র করে মানুষের যে উৎসাহ ও প্রত্যাশা থাকার কথা, তা আর নেই।ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরও বলেন, “গত ২৪ বছরে ভোটের প্রতি মানুষের যে অনাগ্রহ তৈরি হয়েছে, সেই বাস্তবতায় ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী এলাকায় গ্রাম্য মাস্তানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন এলাকায় চায়ের দোকানে বসে কিছু দুষ্ট লোক প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। তার সঙ্গে যারা কাজ করছেন, তাদেরকে নির্বাচনের পর দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অনেক কর্মীকে আওয়ামী লীগ সাজিয়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত ছিল-এমন অনেক তরুণ বাড়িতে বেড়াতে এসে আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। তাদেরও মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে।”
ব্যারিস্টার ফুয়াদের অভিযোগ, তার নির্বাচনী এলাকা দুটি উপজেলা ও তিনটি থানার অন্তর্ভুক্ত। যাদের ভোট না দেওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে অথবা যাদের প্রভাব রয়েছে- এমন ব্যক্তিদের নামের তালিকা থানায় দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কোথায় ইয়াবা মজুদ আছে, কোথায় অস্ত্র রাখা হয়েছে, ইটভাটায় বা চরাঞ্চলে অস্ত্রের প্রশিক্ষণ চলছে।এসব বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করা হচ্ছে । জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, নির্বাচন কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “আমার আসনের ১২৪টির অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ। এমন পরিস্থিতিতে ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাওয়া ও ফিরে আসা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”
তিনি চরাঞ্চলগুলোর কথা উল্লেখ করে বলেন, মুলাদীর চরাঞ্চলগুলো দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন। সেখানে অতিরিক্ত যৌথবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড মোতায়েন প্রয়োজন। প্রয়োজনে এয়ার সাপোর্টও দিতে হবে। যৌথবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ব্যবহারের দাবি জানান তিনি।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী পুরো আসনে শতাধিক দুষ্ট লোক রয়েছে। নির্বাচন পর্যন্ত বিশেষ ক্ষমতা আইনে এদের আটক রাখা গেলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হবে।শেষে তিনি বলেন, “আল্লাহ যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, আমি সবার এমপি হবো—যারা ভোট দিয়েছেন তাদেরও, যারা দেননি তাদেরও।”
এসময় নির্বাচনী প্রচারনায় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি, বাবুগঞ্জ উপজেলারা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান অলিদ, বাবুগঞ্জ জামায়াতের আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।